ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬ ১০:০৬ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ৪৪ বার
গণভোট উপলক্ষে জনসচেতনতামূলক প্রচার এবং ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভাগের অধীনে সরকারি ও বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মাদ্রাসা পর্যায়ে গণভোটের গুরুত্ব, দায়িত্ব ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে নিম্নোক্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে:
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ-কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি (নেকটার), বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বিএমটিটিআই), বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে গণভোটবিষয়ক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহের ওয়েবসাইট ও অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে গণভোটবিষয়ক প্রচারণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি ও বেসরকারি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিভাবক সমাবেশে গণভোটবিষয়ক জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বিভাগের আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে গণভোট বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে লিফলেট বিতরণের জন্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
গণভোটবিষয়ক জনসচেতনতামূলক স্ট্যান্ডিং ব্যানার তৈরি করে বিভাগ এবং আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহের দৃশ্যমান স্থানে ও ডিজিটাল ডিসপ্লেতে প্রদর্শন করা হচ্ছে।
বিভাগের আওতাধীন সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণভোটবিষয়ক জনসচেতনতামূলক ব্যানার দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের উপস্থিতিতে পঞ্চগড়, নড়াইল, যশোর, বগুড়া, কুড়িগ্রাম ও দিনাজপুর জেলায় কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সব সরকারি যোগাযোগে গণভোটের লোগো ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আওতাধীন সকল দপ্তর/সংস্থাসমূহকেও একই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।