ঢাকা, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

ফাইনালে চট্টগ্রাম

স্পোর্টস ডেস্ক


প্রকাশ: ২১ জানুয়ারী, ২০২৬ ১১:১৮ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৫ বার


ফাইনালে চট্টগ্রাম

বিপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারে রোমাঞ্চ ছড়ানো এক ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। মিরপুরে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টানটান উত্তেজনার এই লড়াইয়ে ব্যাট হাতে নায়ক হয়ে ওঠেন শেখ মেহেদী হাসান।


শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে রাজশাহীকে আগে ব্যাট করতে পাঠায় চট্টগ্রাম। শুরুতে সাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ হাসান তামিম মিলে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করেন।

দুজনের জুটিতে আসে ৩০ রান। ১৯ বলে ২১ রান করে ফারহান ফিরলেও তানজিদ এক প্রান্ত ধরে রাখেন।

 


পাওয়ারপ্লে শেষে রাজশাহীর সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৩৭। তবে মাঝের ওভারগুলোতে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি।

১১ বলে ৮ রান করে নাজমুল হোসেন শান্ত বিদায় নেন, গোল্ডেন ডাকে ফেরেন মুশফিকুর রহিম। আকবর আলী করেন ১০ বলে ৩ রান। তানজিদ ৩৭ বলে ৪১ রান করে আউট হলে বড় বিপদে পড়ে রাজশাহী।

 


জিমি নিশাম ও রায়ান বার্লও ব্যর্থ হন।

শেষ দিকে ইনিংসে গতি আনেন আবদুল গাফফার সাকলাইন। ৩ ছক্কা ও ২ চারে মাত্র ১৫ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। রিপন মণ্ডল যোগ করেন ৮ বলে ১০ রান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩৩ রানে অলআউট হয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

 


চট্টগ্রামের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন শেখ মাহেদী হাসান ও আমের জামাল।

দুজনই নেন ২টি করে উইকেট। শরিফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, তানভীর ইসলাম, হাসান নওয়াজ ও মির্জা বেগ পান একটি করে উইকেট।

 


১৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চট্টগ্রাম রয়্যালসের শুরুটা ছিল নিয়ন্ত্রিত। ওপেনার মির্জা বেগ ও মোহাম্মদ নাঈম শেখ দেখে-শুনে খেলেন। পাওয়ারপ্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৩১ রান তোলে দলটি। ৬৪ রানের ওপেনিং জুটির অবসান ঘটে নাঈমের বিদায়ে। ৩৮ বলে ৩০ রান করেন তিনি।

তিন নম্বরে নেমে হাসান নওয়াজ দ্রুত রান তুলতে থাকেন। ১৪ বলে ২০ রানের ক্যামিও খেলে ৯৮ রানের মাথায় ফেরেন তিনি। এক প্রান্তে স্থির ছিলেন মির্জা বেগ, ধীরে ধীরে এগিয়ে যান ফিফটির কাছাকাছি।


শেষ দিকে রাজশাহীর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ম্যাচে ফিরে আসে উত্তেজনা। আসিফ আলী ৮ বলে ১১ রান করে আউট হন। এরপর নাটকীয় মুহূর্ত শুরু হয়। শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ১৯ রান।


১৯তম ওভারে বিনুরা ফার্নান্দোর প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান শেখ মাহেদী। তবে ওই ওভারেই ৪৫ রান করা মির্জা বেগকে ফিরিয়ে বড় ধাক্কা দেন বিনুরা। শেষ ওভারে প্রয়োজন দাঁড়ায় ৯ রান।


রিপন মণ্ডলের করা শেষ ওভারে চাপ সামলে নেন মাহেদী। এক ছক্কা ও পরের বলেই দুই রান নিয়ে ৩ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করেন তিনি। ৯ বলে অপরাজিত ১৯ রান করে ম্যাচের নায়ক হন মাহেদী।


রাজশাহীর হয়ে বল হাতে ২ উইকেট নেন আবদুল গাফফার সাকলাইন, আর একটি করে উইকেট পান বিনুরা ফার্নান্দো ও হাসান মুরাদ।


এই জয়ের ফলে ফাইনালে উঠেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। অন্যদিকে ফাইনালের আরেক টিকিটের লড়াইয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেট টাইটান্সের মুখোমুখি হবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।


   আরও সংবাদ