ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ২১ জানুয়ারী, ২০২৬ ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২১ বার
লিয়াকত হোসাইন লায়ন, জামালপুর প্রতিনিধি
স্পেশাল অলিম্পিকসে অংশ নিয়ে জামালপুর সাব-চ্যাপ্টারের স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক জয়ী প্রতিবন্ধী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারী) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও স্পেশাল অলিম্পিকস জামালপুর সাব-চ্যাপ্টার এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইফতেখার ইউনুসের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী, স্পেশাল অলিম্পিকস জামালপুর সাব-চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক অজয় কুমার পাল, সুইড জামালপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সীমা রানী চক্রবর্তীসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী বলেন, প্রতিবন্ধীতা যে কখনও বাঁধা হতে পারে না তার উজ্জাল দৃষ্টান্ত এই খেলোয়াড়দের পদক বিজয়। প্রত্যেকেরই কিছু প্রতিভা থাকে, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যেসকল শিশু বা ব্যাক্তিরা রয়েছে তাদের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। যারা স্পেশাল অলিম্পিকসে সফলতার স্বাক্ষর রেখেছে তারা জামালপুরের গর্ব এদেশের সম্পদ, তাদেরকে অভিনন্দন জানাই। সবার সহযোগীতা অব্যাহত থাকলে তারা আরও সামনে এগিয়ে যাবে।
পরে স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক জয়ী ৮ জন খেলোয়াড়কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে সাড়ে তিন হাজার টাকা, স্পেশাল অলিম্পিকস জামালপুর সাব-চ্যাপ্টারের পক্ষ থেকে দেড় হাজার টাকা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত স্পেশাল অলিম্পিকস এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল ব্যাটমিন্টন প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়ে জামালপুরের আছিয়া আক্তার ২টি স্বর্ণ পদক, কানিজ ফাতেমা ১টি স্বর্ণ ও ১টি রৌপ্য পদক অর্জন করেন। প্রতিযোগীতায় স্বাগতিক মালয়েশিয়া, বাংলাদশেসহ মোট ১০ দেশ অংশগ্রহণ করে। এছাড়াও গত বছরের ১০ থেকে ১৪ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং শহরে স্পেশাল অলিম্পিকস সাউথ ইস্ট এশিয়া ৭ সাইড ফুটবল প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশের পুরুষ ও মাহিলা ফুটবল দল অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। পুরুষ দলে জামালপুরের ২ জন ও মহিলা দলে ৪ জন অংশগ্রহণ করে সবাই পদক অর্জন করে। জামালপুরের মো: নাঈম স্বর্ণ পদক, মো: রবিউল হক স্বর্ণ পদক, রিতা রানী দাস স্বর্ণ পদক, মুক্তা খাতুন স্বর্ণ পদক, রুপা খাতুন স্বর্ণ পদক ও আছিয়া আক্তার স্বর্ণ পদক অর্জন করেন। প্রতিযোগীতায় মোট ৬টি দেশ অংশগ্রহন করে।