ঢাকা, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

বগুড়ায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় ১২৬ কোটি টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:১৪ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৬ বার


বগুড়ায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় ১২৬ কোটি টাকা

বগুড়া জেলায় ১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে প্রায় ১২৬ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, দুর্যোগে নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করা এবং গ্রামীণ শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।

 

বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত পূর্ত কাজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভা-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘সহনশীল অবকাঠামোর মাধ্যমে অভিযোজন ও ঝুঁকি হ্রাস’ শীর্ষক প্রথম সংশোধিত প্রকল্পের আওতায় বগুড়ার ১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল।

দুটি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নিলেও কারিগরি মূল্যায়নে একটি প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

 

দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে যৌথ উদ্যোগে গঠিত দ্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড ও আহাদ বিল্ডার্স, ঢাকা-কে ১২৫ কোটি ৯৮ লাখ ৯২ হাজার ১৯৭ টাকায় কাজটি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

 

প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ২০২৩ সালের ১২ মার্চ অনুমোদন দেয়। এর বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

 

প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনুমোদিত দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত মূল্যের তুলনায় শূন্য দশমিক ২৫১ শতাংশ কম। ফলে সরকার নির্ধারিত ব্যয়ের তুলনায় সামান্য সাশ্রয় হবে। শুধু বিদ্যালয় ভবন নির্মাণই নয়, প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা, সড়কবাতি, বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা, সংযোগ সড়ক, রিইনফোর্সড সিমেন্ট কংক্রিট (আরসিসি) বক্স কালভার্ট, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সরবরাহ এবং বৃক্ষরোপণের কাজও করা হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বিদ্যালয়গুলো স্বাভাবিক সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহৃত হবে। আর বন্যাসহ অন্যান্য দুর্যোগের সময় এগুলো নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ থাকায় জেলার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


   আরও সংবাদ