ঢাকা, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

লক্ষ্মীপুরে হচ্ছে ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার সারের বাফার গুদাম

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:১৪ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৬ বার


লক্ষ্মীপুরে হচ্ছে ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার সারের বাফার গুদাম

লক্ষ্মীপুরে সার সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি আধুনিক বাফার গুদাম নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ৮১৪ টাকা।

 

বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভা-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) বাস্তবায়নাধীন ‘সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় লক্ষ্মীপুরে এই গুদাম নির্মিত হবে।

সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পটির ব্যয়ের মধ্যে ভ্যাট ও কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

ক্রয় প্রস্তাব অনুযায়ী, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে চারটি প্রতিষ্ঠানের দরপত্র জমা পড়ে।

কারিগরি মূল্যায়নে দুটি প্রতিষ্ঠান যোগ্য বিবেচিত হয়। পরবর্তী মূল্যায়নে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে যৌথভাবে অংশগ্রহণকারী এমবিএল ও আরইএল, ঢাকাকে নির্বাচন করা হয়।

দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে তাদের কাছ থেকেই নির্ধারিত মূল্যে নির্মাণকাজ ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

প্রকল্পের আওতায় লক্ষ্মীপুরে স্টিল কাঠামোর ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার ইউরিয়া সার সংরক্ষণের বাফার গুদাম নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি অফিস-কাম-অতিথিশালা, আনসার ব্যারাক, উপকেন্দ্র ও জেনারেটর কক্ষ, পৃথক শৌচাগার, ওয়াচ টাওয়ার, পাম্প হাউস, ভূগর্ভস্থ পানির আধার, ঝড়ের পানি নিষ্কাশনের জন্য আরসিসি নালা, সীমানাপ্রাচীর, প্রধান ফটক ও প্রহরী কক্ষ নির্মাণ করা হবে।

এছাড়া প্রকল্পে ভূমি উন্নয়ন, পুকুর খনন, ১০০ কেভিএ ক্ষমতার বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, ৬০ কেভিএ জেনারেটর এবং সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে, যা গুদামটির কার্যক্রমকে আরও নিরবচ্ছিন্ন ও পরিবেশবান্ধব করবে।

প্রসঙ্গত, প্রকল্পটির প্রথম সংশোধিত প্রস্তাব ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।


   আরও সংবাদ