ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৬ জুন, ২০২৬ ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১০৬ বার
জনবান্ধব বাজেট প্রণয়ন না হলে জনগণের অসন্তোষ আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন নতুনধারা বাংলাদেশ (এনডিবি) আয়োজিত ‘কেমন বাজেট চাই?’ শীর্ষক গোলটেবিল ও ছায়াবাজেটে অংশগ্রহণকারী অতিথিরা।
শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত এ গোলটেবিলের সভাপতিত্ব করেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার পর গত ৫৫ বছরে প্রণীত কোনো বাজেটই স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, ধর্ম, মানবতা কিংবা সভ্যতাবান্ধব হতে পারেনি। এর পেছনে আমলাতন্ত্র, রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী শ্রেণির একাংশের অসাধু কর্মকাণ্ড দায়ী।
তারা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর ক্ষতি করেছে এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে প্রভাব বিস্তার করেছে।
বক্তারা আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের পেছনে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও লুটপাট বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে।
তারা জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক বাজেট প্রণয়নের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেইলি নিউ নেশনের উপদেষ্টা সম্পাদক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ তোশারফ আলী।
সংহতি প্রকাশ করেন বাংলাদেশ তরিকত-এ ইসলামের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মঈনুদ্দীন টিপু।
এছাড়া বক্তব্য দেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মুন্নি আলম, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান ও ওয়াজেদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন বৈরাগী, হরিদাস সরকার, রাজনীতিক শহিদুল ইসলাম রতন, তৌহিদুল ইসলাম শাহীন নূরী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির জীবন, আফতাব মণ্ডল, জাতীয় শ্রমিকধারার আহ্বায়ক বাবুল মিয়া এবং আলেয়া বেগম আলোসহ অন্যান্য নেতারা।
সভাপতির বক্তব্যে মোমিন মেহেদী বলেন, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের সঙ্গে জড়িত সাবেক ও বর্তমান রাজনীতিক এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে তাদের অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। অন্যথায় আসন্ন বাজেট জনগণের প্রত্যাশিত পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে না।