ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:০৮ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৮ বার
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসা রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ভাইরাল‘মিজানের ভাতের হোটেল’ আবারও উচ্ছেদ করা হয়েছে। এবার কোনো স্থাপনা না থাকলেও ফুটপাতের ওপর চুলা বসিয়ে রান্না করার কারণে অভিযান চালানো হয়েছে।
একই সঙ্গে আগারগাঁও থেকে মিরপুর-১০ পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অস্থায়ী স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হয়।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁও এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) পক্ষ থেকে এ অভিযান চালানো হয়।
ডিএনসিসির অঞ্চল-৪-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী উপস্থিত ছিলেন।
ডিএনসিসি সূত্র জানায়, মিজানের ভাতের হোটেলে এবার কোনো স্থাপনা ছিল না।
ক্রেতাদের বসার জন্য রাখা চেয়ার-টেবিলগুলোও আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। তবে ফুটপাতের ওপর চুলা বসিয়ে খাবার রান্না করা হচ্ছিল।
এ ছাড়া রান্নার লাকড়ি হিসেবে ব্যবহারের জন্য পুরোনো অনেক আসবাব রাখা ছিল।
অভিযানকালে মিজানকে রান্না করা খাবার ও অন্যান্য জিনিসপত্র সরিয়ে নিতে বলা হয়। পরে পুরোনো আসবাবগুলো ভেঙে অপসারণ করা হয় এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়।
অভিযানটি আগারগাঁও থেকে শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া হয়ে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর পর্যন্ত চালানো হয়। এ সময় সড়কের দুই পাশের ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অস্থায়ী দোকান ও স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়।
এর আগে, গত ১৬ আগস্ট আগারগাঁওয়ের তালতলা এলাকায় মিজানের ভাতের হোটেল উচ্ছেদ করেছিল ডিএনসিসি। সেদিন ফুটপাত ও সড়ক দখল করে অস্থায়ী কাঠামো তৈরি করে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে হোটেলটির স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়। তখন মিজানের দোকানসহ তালতলার ফুটপাতের সব অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছিল।
এর কয়েক দিন আগে, ১০ আগস্ট মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে বলা হয়, বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে যাওয়া ব্যক্তিদের ওপর মিজান চড়াও হয়েছিলেন।
ওই সময় ১৪ দিন পর কারাগার থেকে বেরিয়ে মিজান জানিয়েছিলেন, তিনি আবার দোকান বসাবেন। তাঁর ভাষ্য ছিল, ওই ফুটপাতে একটি দোকান থাকলে সেটি তাঁর দোকানই থাকবে।