ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:২৪ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৫ বার
বর্তমানে দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ ২৯ দশমিক ৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট, যার মধ্যে ৭ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ অবশিষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু৷ এ মজুদ গ্যাস আনুমানিক ১২ বছর সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলেও মন্ত্রী জানান ৷
রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের লিখিত এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এ কথা জানান।
এ সময় অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেন।
রোববারের প্রশ্ন উত্তর টেবিলে এটি উত্থাপিত হয়।
জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মওজুদ ২৯ দশমিক ৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
তারমধ্যে ২২ দশমিক ১১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস (৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫) উত্তোলন করা হয়েছে এবং ৭ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস (১ জানুয়ারি ২০২৬) মজুদ অবশিষ্ট রয়েছে। নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হলে এবং বর্তমান (কম বেশি দৈনিক ১৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট) হারে গ্যাস সরবরাহ করা হলে ওই অবশিষ্ট ৭ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদের ভিত্তিতে আনুমানিক ১২ বছর সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, গ্যাসের অনুসন্ধানে বেশ কিছু কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেগুলো হলো, কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার: পেট্রোবাংলা কর্তৃক কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মপরিকল্পনার আওতায় ৫০ ও ১০০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার পরিকল্পনার আওতায় আজ পর্যন্ত ২৬টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে, অবশিষ্ট কূপগুলো খনন এবং ওয়ার্কওভারের লক্ষে কার্যক্রম বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান রয়েছে।
এছাড়া সাইসমিক সার্ভে সম্পর্কিত মন্ত্রী জানান, বাপেক্সের মাধ্যমে ব্লক-৭ ও ৯ এ ৩৬০০ কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক ডাটা আহরণ শেষ হয়ে ডাটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলছে। পাশাপাশি বিজিএফসিএলর মাধ্যমে হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনার ১৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩ডি সাইসমিক ডাটা আহরণ কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে। এ ছাড়া বাপেক্স ও এসজিএফএলের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও বিপুল পরিমাণ ৩ডি সাইসমিক জরিপ সম্পাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।