ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৪৩ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৮ বার
নিরাপদ কর্মপরিবেশ, পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা, শ্রমের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে ও টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গঠনমূলক পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
রোববার (১৫ মার্চ) ঢাকায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুননের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে শ্রমমন্ত্রী জানান, মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর আলোকে ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া পাঠানো হয়েছে। এটি অনুমোদিত হলে দ্রুতই জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে।
এসময় আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা তারা পর্যালোচনা করেছেন এবং এর বাস্তবায়নে সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আইএলও আগ্রহী। তিনি ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-কে আইনে রূপান্তরের প্রক্রিয়া এবং আইএলওর কাছে বাংলাদেশের রোডম্যাপ বাস্তবায়নে সংশোধিত সময়সীমা নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া আইনের যেসব ধারায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে, সেসব বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার বলেন, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন বাস্তবায়নের জন্য একটি নির্দিষ্ট রোডম্যাপ রয়েছে।
তিনি জানান, খসড়া আইনে আপাতত বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই তা করা হবে।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইএলও বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।