ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

বাংলাদেশ ব্যাংক ও পিকেএসএফের মধ্যে ৫ হাজার কোটি টাকার চুক্তি

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ২০ অগাস্ট, ২০২৬ ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৩ বার


বাংলাদেশ ব্যাংক ও পিকেএসএফের মধ্যে ৫ হাজার কোটি টাকার চুক্তি

দেশের মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ (এমএসই)সমূহকে সম্প্রসারণ ও তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) মধ্যে পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্রণোদনা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো গ্রামীণ ও তৃণমূল অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে দেশে অন্তত ২ লাখ মানুষের টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

 

বুধবার (১৯ আগস্ট) মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদ ও মো. আনিছুর রহমান এবং এসএমই অ্যান্ড এসপিডি বিভাগের পরিচালক নওশাদ মোস্তাফা উপস্থিত ছিলেন।

পিকেএসএফের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং সিনিয়র মহাব্যবস্থাপক ড. একেএম নুরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

 

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে তিনটি মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হবে।

সেগুলো হলো—আর্থিক পরিষেবা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে প্রান্তিক ও সম্ভাবনাময় মাইক্রোএন্টারপ্রাইজসমূহে বর্ধিত অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ; ভ্যালু চেইন উন্নয়নের মাধ্যমে দেশব্যাপী ব্যবসাগুচ্ছ (ক্লাস্টার)ভিত্তিক ভ্যালু চেইন গড়ে তোলা এবং উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক ও কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন।

 

গত ২৩ মে দেশে কর্মসংস্থান বেগবান করার লক্ষ্যে পিকেএসএফের মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক এই ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করে।

ইতোমধ্যে পিকেএসএফ দেশব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

 

পিকেএসএফ সূত্র জানায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে ওঠা সম্ভাবনাময় ব্যবসাগুচ্ছসমূহের বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। মাঠপর্যায়ের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ ও প্রাপ্ত অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রণোদনা তহবিলটি একটি ‘আবর্তক তহবিল’ (Revolving Fund) হিসেবে পরিচালিত হবে। এর ফলে অর্থের ধারাবাহিক প্রবাহ বজায় থাকবে, যা দেশের মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ খাতকে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে রূপান্তর করবে।


   আরও সংবাদ