ঢাকা, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

শিক্ষার্থীদের ক্ষমা করতে চান মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


প্রকাশ: ১ অগাস্ট, ২০২৬ ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ২৬ বার


শিক্ষার্থীদের ক্ষমা করতে চান মোদি

দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে চলমান শিক্ষার্থী বিক্ষোভে তাকে এবং তার প্রয়াত মাকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় সংযম ও ক্ষমার বার্তা দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শুক্রবার প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় মোদি বলেন, যন্তর মন্তরের ঘটনাটি দেশ-বিদেশের মানুষ দেখেছে।

তার দাবি, কিছু বিভ্রান্ত তরুণ এমন ভাষা ব্যবহার করেছে, যার কোনো স্থান সভ্য সমাজে নেই।

 

তিনি বলেন, ‘আমাকে গালিগালাজ করা হয়েছে।

এমনকি আমার প্রয়াত মাকেও অবমাননাকর ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে।’

 

গত তেইশ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে যন্তর মন্তরে আয়োজিত বিক্ষোভে এক নারী বিক্ষোভকারী প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

 

তবে মোদি বলেছেন, এ ধরনের ঘটনার জবাব রাগ বা প্রতিশোধ নয়।

তার ভাষায়, তরুণ বয়সে ভুল হতে পারে, আবার সেই ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগও থাকে।

 

 

 

তিনি বলেন, ‘সমাজে ক্ষোভ আছে, আমি তা বুঝি। কিন্তু এখন সময় এসেছে এই সন্তানদের বুকে টেনে নিয়ে সঠিক পথ দেখানোর। তারা বিভ্রান্ত হয়েছে। তাদের পথ দেখানো আমাদের দায়িত্ব। আদালতে টেনে নেওয়া বা হয়রানি করে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তিনি এ ঘটনার জন্য দায়ীদের ক্ষমা করতে চান এবং সমাজকেও একই আহ্বান জানান।

মোদি বলেন, ‘আমি তাদের ক্ষমা করতে চাই। সমাজকেও আমার আহ্বান, তাদের ক্ষমা করুন। গালিগালাজ কখনো কোনো সমস্যার সমাধান করে না। যারা পথ হারিয়েছে, তাদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে হবে। আসুন, আমরা একসঙ্গে ভারতের জন্য কাজ করি।’

এদিকে অভিযোগের ভিত্তিতে নয়ডার এক্সপ্রেসওয়ে থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার শান্তিভঙ্গে উসকানি, জনমনে অশান্তি সৃষ্টি এবং মানহানিসংক্রান্ত ধারায় একটি শূন্য এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। পরে তদন্তের জন্য মামলাটি দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেছেন, ব্যবহৃত ভাষা আপত্তিকর হয়ে থাকলেও কেবল বক্তব্যের কারণে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইন প্রয়োগ করা উচিত নয়।

 

 

তার ভাষায়, কেউ মানহানির শিকার হয়ে থাকলে তিনি দেওয়ানি বা ফৌজদারি মানহানির মামলা করতে পারেন। তবে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ফৌজদারি ব্যবস্থা ব্যবহার করা নিন্দনীয় এবং কেবল আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের জন্য কাউকে শাস্তি দেওয়া উচিত নয়।

সূত্র: এনডিটিভি


   আরও সংবাদ